CAA এর বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী বর্গ আরো একবার মাঠে নেমে পড়েছে। রামচন্দ্র গুহ, অনুরাগ কাশ্যপের মতো তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা CAA ও NRC নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তবে এই বুদ্ধিজীবীরা কেন কাশ্মীরে হিন্দু বিতাড়নের সময় চুপ ছিলেন তাই নিয়েও পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি সমর্থকরা। শরনার্থীরা স্থান পেলে কেন বুদ্ধিজীবীদের কষ্ট হয় তা নিয়েও প্রশ্নঃ তুলেছেন বিজেপি সমর্থকরা। এ সমস্ত কিছুর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের টলিউড জগতের একাংশ সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। টলিউড জগতের বিশিষ্ট বর্গরা CAA-NRC এর প্রতিবাদ করার জন্য কবিতাও তৈরি করে ফেলেছেন। কবিতার নাম- কাগজ আমরা দেখাবো না। কবিতায় মূলত বলা হয়েছে শাসক আসবে যাবে কিন্তু আমরা কাজগ দেখাবো না। প্রতিবাদীদের উপর লাঠিচার্জ করলেও কাগজ আমরা দেখাবো না। এখন এই বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বিষ্ণুপুর থেকে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সব্যসাচী চক্রবর্তী, স্বস্তিকা, রুপম ইসলামদের কাজগ দেখাবো না কবিতার জবাব দিয়েছেন। সৌমিত্র খাঁ বেশ সুন্দর ভঙ্গিতে বুদ্ধিজীবীদের জবাব দিয়েছেন। উনি বলেছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী আপনার নিশ্চয় জন্মের সময় বার্থ ...
সংখ্যা বাড়লেই সবসময় শক্তিশালী হওয়া যায় না, এটা আমেরিকায় থাকা ধর্মভক্ত হিন্দুরা প্রমান করে দিয়েছে। আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির নেতা অন্যদিকে আরেক পার্টির নাম ডেমোক্রেটিক। রেপাব্লিকান পার্টির দ্বারা ভুলবশত ভগবান শ্রী গণেশের অপমান হয়েছিল। যারপর আমেরিকার হিন্দুরা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঝুঁকতে বাধ্য করে এবং লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়। আসলে আমেরিকার বড়ো রাজ্য টেক্সসাসে রেপাব্লিকান পার্টি ডেমোক্রেটিক পার্টি বিজ্ঞানপন দিয়ে প্রচার চালাচ্ছিল। রিপাব্লিকেন পার্টির নির্বাচনী চিন্হ হাতি ও অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী চিন্হ গাধা। ট্রাম্পের পার্টি হাতির জায়গায় ভগবান শ্রী গণেশের ছবি ছেপে দেন এবং বিজ্ঞানপনে প্রশ্ন করেন যে আপনার কাকে ভোট দেবেন। এই বিজ্ঞানপন সামনে আসার পরই হিন্দুরা প্রতিবাদে ফেটে যায় এবং বিদ্রোহ করতে শুরু করে। শেষমেষ ট্রাম্পের পার্টি লিখিতভাবে হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়। হিন্দুরাও বড়ো মন দেখিয়ে ট্রাম্পের পার্টিকে ক্ষমা করে দেয়। জানিয়ে দি, আমেরিকায় হিন্দু সংখ্যা ১% এর থেকেও কম, কিন্তু আমেরিকায় থাকা হিন্দুদের মধ্যে শিক্ষা...
কাঁচা তেলের উৎপাদন ভারতেও হয়, কিন্তু আমাদের দেশের চাহিদা অনেক বেশি যার তুলনায় অনেক কম কাঁচা তেল আমাদের দেশ উৎপাদন হয়। এই কারণে ৮০% তেল ভারতকে বাইরে থেকেই আমদানি করতে হয়। কাঁচা তেলের সবথেকে বড়ো ভান্ডার ভেনেজুয়েলায় রয়েছে। কিন্তু ভারত থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ার কারণে আমরা এই তেল খাড়ি দেশগুলি থেকেই আমদানি করে থাকি। এই সমস্থ খাড়ি দেশগুলির মধ্যে ইজরায়েল ছাড়া বাকি সবগুলি ইসলামিক দেশ। এমনিতে ভারতের মতো বড়ো দেশকে তেল বন্ধ করতে পারবে না এই ইসলামিক দেশগুলি। তেলের ব্যাবসার উপরেই এইসব দেশের অর্থনীতি টিকে রয়েছে। তবে ১৯৯০-১৯৯৩ সালের সময়কালে ভারতকে কাঁচা তেলের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছিল, কারণ সেই সময় ইরান,ইরাককে নিয়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি হয়েছিল। কংগ্রেস দেশে বহু বছর রাজত্ব করার পরেও আপাতকালীন অবস্থায় কাঁচা তেলের ব্যাবহার কিভাবে হবে তা নিয়ে কোনো চিন্তা করেনি। এমনিতেই ইসলামিক দেশগুলি মিলে বৃহত্তর ইসলামিক সেনা তৈরি করছে, এই সেনা আতঙ্কবাদীদের সাথে মিলে ভারতকে আক্রমন করবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই কাঁচা তেলের ব্যাপারে ভাবনা কতটা প্রয়োজন তা যেকোনো ব্যাক্তির কাছে স্পষ্ট। দেশে অটলজির সরকার আসার পরই কা...
Comments
Post a Comment